মোঃ আব্দুল করিম সোহাগ, ঢাকাঃ
মুসলিম উম্মাহর জীবনে আবারও ফিরে এসেছে পবিত্র মাহে রমজান—রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মহিমান্বিত মাস। এ মাস কেবল একটি নির্দিষ্ট সময়কাল নয়; বরং এটি একজন মুমিনের জীবন গঠনের প্রশিক্ষণ পিরিয়ড। তাই রমজান শুরু হওয়ার আগেই প্রয়োজন সচেতন ও পরিকল্পিত শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক প্রস্তুতি।
রোকসানা নিহা বলেন,
রমজান আত্মসংযম শেখায়, শুধু খাবার থেকে নয়, খারাপ কথা ও কাজ থেকেও। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজ অনেকেই রমজানকে বাজারমুখী ও খাদ্যকেন্দ্রিক মাসে পরিণত করেছে। অথচ রমজান হলো সংযম, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির মাস। এই মাসে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে মানুষ নিজের ভেতরের লোভ, হিংসা, অহংকার ও আত্মকেন্দ্রিকতাকে দমন করে তাকওয়ার পথে অগ্রসর হয়। রোজা এমন একটি ইবাদত, যার প্রতিদান আল্লাহ নিজেই দেবেন। হাদিসে কুদসিতে এসেছে— ‘রোজা আমার জন্য, আর আমি নিজেই তার প্রতিদান দেব।
সবশেষে বলা যায়, রোজা কেবল একটি ধর্মীয় বিধান নয়; এটি আত্মসংযম, মানবিকতা ও আল্লাহভীতির এক পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা। রমজান মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস।