শাহিনুর ইসলাম শাহীন
গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী মেট্রো থানার উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়, যেদিন সৈনিক ও জনগণ মিলে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্য রক্ষার জন্য একত্রিত হয়েছিল।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র নেতা-কর্মীরা এই দিনটিকে স্মরণ করে বলেন, ৭ই নভেম্বর হচ্ছে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রতীক। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছিলেন। তাঁর হাত ধরেই ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর ধারণা বাস্তব রূপ পেয়েছিল, যা আজও বিএনপি-র মূল আদর্শ হিসেবে দেশপ্রেমিক জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে।
উক্ত দিবসে বিএনপি নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে শহীদ জিয়ার অবদানের কথা তুলে ধরে বলা হয়, তিনি ছিলেন একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক নেতা, যিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাস্তবায়ন করে দেশকে আত্মনির্ভরশীলতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মিয়া মোঃ ফরহাদ হোসেন,
সংগঠনিক সম্পাদক, কোনাবাড়ী মেট্রো থানা বিএনপি,
সাধারণ সম্পাদক, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি গাজীপুর মহানগর।
তিনি বলেন, আজকের এই দিনে আমরা শহীদ জিয়ার আদর্শে শপথ নিচ্ছি, বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। বিএনপি জনগণের দল, এই দলকে দমন করা যায় না, কারণ এর শক্তি জনগণের মধ্যেই নিহিত।
নেতাকর্মীরা আরও বলেন, বর্তমান স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে বিএনপি এখন দেশের প্রতিটি মানুষের আশা ও ভরসার নাম। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য আজও অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ, আর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিদেশ থেকে দলকে সংগঠিত করে গণতন্ত্রের আলোকবর্তিকা জ্বালিয়ে রেখেছেন।
বক্তারা প্রতিজ্ঞা করেন, “৭ই নভেম্বরের চেতনাকে ধারণ করে বিএনপি আবারও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনবে এবং একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করবে।”
অনুষ্ঠানের শেষে নেতাকর্মীরা শহীদ জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন —
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বেঁচে থাকবে, যতদিন এই দেশের মাটিতে দেশপ্রেমিক জনগণ বেঁচে আছে।