মোঃ ইব্রাহিম খন্দকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি।
গাজীপুরের কালীগঞ্জে অনুমতি ব্যতিরেক কৃষিজমিতে অবৈধভাবে বালু ভরাট করে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আল-আমিন হালদার। কৃষিজমি রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে তাঁর সততা, দ্রুত পদক্ষেপ এবং জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক ব্যক্তিক ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের রায়েরদিয়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নাগরী ইউনিয়নের রায়েরদিয়া এলাকায় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই অবৈধভাবে কৃষিজমিতে বালু ভরাট করে শ্রেণি পরিবর্তন করা হচ্ছিল—এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করেন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আল-আমিন হালদার (পরিচিতি নং-১৯১১৫)।
অভিযানকালে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মো. নাঈম আহম্মেদ মুন্না (পিতা: মোস্তফা কামাল, সাং-রায়েরদিয়া, নাগরী, কালীগঞ্জ) নামের এক ব্যক্তিকে ২,০০,০০০/- (দুই লাখ) টাকা জরিমানা অনাদায়ে দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই ডি সি আর (নং-৭২৫৫০২) এর মাধ্যমে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, এটি ওই এলাকার ১৯৪/২০২৬ নম্বর মামলা। অভিযানে রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটরের ভূমিকা পালন করা হয় এবং বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুল ইসলাম।
স্থানীয় সচেতন মহল বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব আল-আমিন হালদারের এই সময়োপযোগী ও বলিষ্ঠ পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। স্থানীয়দের মতে, তাঁর কঠোর ও আপসহীন ভূমিকার কারণে কালীগঞ্জে অবৈধ মাটিকাটা ও কৃষিজমি দখলকারী অসাধু চক্রের দাপট অনেকটাই কমে এসেছে। কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করতে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।