সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. খালেদ মোশারফ তরফদার মিলনের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অশালীন কথাবার্তা ও কু-প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। তিনি উপজেলার ছয়ঘড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
সুন্দরগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কালির খামার এলাকার বাসিন্দা মোছা. সুরাইয়া বেগম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় শিক্ষক মিলনসহ আরও একজনকে নামীয় আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাদীকে চাকরিচ্যুত করার হুমকিসহ বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিলেন। ২০২২ সালের ২০ অক্টোবর বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ মাঠের উত্তর-পূর্ব পাশে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে বাদীর পথরোধ করেন। এ সময় তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শিক্ষক মিলন বাদীর সঙ্গে অশালীন কথাবার্তা বলেন এবং কু-প্রস্তাব দেন। একই সঙ্গে চাঁদা না দিলে চাকরি খেয়ে ফেলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। পরে ২০২২ সালের ১৭ নভেম্বর বাদী সুন্দরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা নং-৩১ রুজু করা হয়।
সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি রুজুর পর থেকে এখন পর্যন্ত চলমান রয়েছে। মামলাটির আইনগত প্রক্রিয়া ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. খালেদ মোশারফ তরফদার মিলনের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।