উসমান ফারুক-স্টাফ রিপোর্টার
নালিতাবাড়ির গোবিন্দনগড় খরস্রোতা ভোগাই নদীর পশ্চিম তীরে বয়ে চলা একটি কাঁচা রাস্তার মাঝখানে টিনের বেড়া দেয়ায় গত ৫ দিন ধরে গোবিন্দনগর এলাকার স্থানীয় ৩০টি পরিবারের দুই’শত এর অধিক মানুষ চলাচলের মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন। এই রাস্তা দিয়ে স্থানীয়রা হাট-বাজার, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও পৌরশহরে যাতায়াত করে থাকে।
ভোগাই নদীর পশ্চিম পাড়ের গোবিন্দনগর ছয়আনী পাড় এলাকায় অবস্থিত এই রাস্তাটি দিয়ে সরাসরি গোবিন্দনগর সরকারবাড়ি বাজার হয়ে নালিতাবাড়ী পৌরশহরে যাওয়া যায়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসী এই কাঁচা রাস্তা ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু হঠাৎ রাস্তাটির পাশের বাসিন্দা আব্দুল মতিন ও জুয়েল এই রাস্তাটিকে ব্যক্তিগত দাবি করে টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেন, ফলে পথ বন্ধ হয়ে যায়।
সুত্রমতে জানা যায়, রাস্তার মাঝখানে টিনের খুঁটি পুঁতে ঘর নির্মাণের উদ্দেশ্যে বাঁধা দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাস্তার একাংশে এমন বাধার কারণে এলাকার ছোট কয়েকজন শিক্ষার্থী স্থানীয় গোবিন্দনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসায় যেতে পারছে না।রাস্তা বন্ধ শুনে অনেকেই ফিরে যাচ্ছে। একমাত্র রাস্তাটিই বন্ধ হওয়ায় শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ, সকল যানবাহনসহ চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে।
শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের চাওয়া অতি দ্রুত যেন এই রাস্তাটির টিনের বেড়া খুলে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়। রাস্তা বন্ধ কারিকে যেন আইনের আওতায় আানা হয়।
অভিযুক্ত জুয়েল মিয়া বলেন, রাস্তার জায়গাটা আমাদের ব্যক্তিগত মালিকানাধীন, জোর করেই এখানে রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল। আমরা আদালতের রায় নিয়ে দেয়াল তুলেছি। এতে আমরা কোনো অন্যায় করিনি।
নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আক্তার ববি বলেন, রাস্তা বন্ধের বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।