কালীগঞ্জে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুতে: সংসদ সদস্য ফজলুল হক মিলনের শ্রদ্ধা ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

Spread the love

​মোঃ ইব্রাহিম খন্দকার, কালিগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি।

গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার বালিগাঁও গ্রামের বাসিন্দা, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সিরাজুল ইসলাম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রবিবার বিকেলে ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি ৩ ছেলে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

​সোমবাৱ (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এর আগে মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক মিলন।

​এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম কামরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলামিন হাওলাদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল হক বাচ্চু, কালিগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মোঃ ইকবাল হোসেন (পিপিএম), কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির (মাস্টার) এবং পৌরসভার সাবেক মেয়র লুৎফুর রহমানসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকাটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

​শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল চৌকস পুলিশ দল মরহুমকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরবর্তীতে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁর প্রয়াত স্ত্রীর কবরের পাশে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামকে দাফন করা হয়।

​বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন বলেন, দেশ ও জাতির সেবায় তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমরা এক বীর সন্তানকে হারালাম।

​এছাড়া তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিল, স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং গাজীপুর জেলা বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খন্দকার, কালীগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি জাকারিয়া আল মামুন, দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি আহাম্মদ আলী ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।