কালিগঞ্জ থেকে গুলিস্তান KTL বাস সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন

Spread the love

মো: ইব্রাহিম খন্দকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ

​গাজীপুরের কালীগঞ্জ থেকে সাধারণ যাত্রীদের ঢাকা যাতায়াত আরও সহজ ও আরামদায়ক করতে নতুন বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। পৌরসভার দেওপাড়া ফেরিঘাট থেকে রাজধানী ঢাকার গুলিস্তান রুটে ‘কেটিএল’ (KTL) নামে এই বাস সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

​সোমবার সকালে দেওপাড়া ফেরিঘাট এলাকায় ফিতা কেটে নতুন এই গণপরিবহন সার্ভিসের উদ্বোধন করেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “মহাসড়কে তিন চাকার অনিরাপদ যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা যাতায়াতে কিছুটা দুর্ভোগে পড়েছিলেন। তাঁদের সুবিধার্থেই এই কেটিএল বাস সার্ভিস চালু করা হলো। এটি আমাদের স্থানীয় সম্পদ; তাই রাস্তায় চলাচলের সময় এর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, “মহাসড়কে কোনো অবস্থাতেই অটোরিকশা বা ইজিবাইক চলতে দেওয়া হবে না, এগুলো কেবল আঞ্চলিক বা শাখা সড়কে চলাচল করবে। এছাড়া এসব ছোট যানবাহন থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

​উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বাবলুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, নতুন এই রুটে বাসগুলো কালীগঞ্জের দেওপাড়া ফেরিঘাট থেকে ছেড়ে টঙ্গী হয়ে রাজধানীর গুলিস্তান পর্যন্ত যাতায়াত করবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ২০টি বাস দিয়ে সার্ভিসটি শুরু হলেও যাত্রীদের চাপ ও চাহিদা বিবেচনা করে ভবিষ্যতে বাসের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন, কালীগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির মাস্টার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফী হাবিবুল্লাহ, খাইরুল হাসান মিন্টু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদা আহমেদ, মনিরুজ্জামান লাভলু, কালিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র লুৎফুর রহমান, কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির,গাজীপুর জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, উপজেলা দুর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি নায়েবুর রহমান মাসুদ (ভিপি), উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীগণ।
​

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *