খোরশেদ আলম, উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি।
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ১১ নম্বর হাতিয়া ইউনিয়নের বকশিপাড়ায় প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ের দাবিতে এক তরুণের বাড়িতে গেছেন ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার এক নারী। ওই তরুণের নাম মানিক মিয়া (২০)। আর ওই নারীর নাম মর্জিনা (৩০)। তিনি গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত।
জানা যায়, মর্জিনা প্রায় ১০ বছর ধরে গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করছেন। ওই কারখানার সামনে ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করতেন উলিপুরের হাতিয়া ইউনিয়নের বকশিপাড়ার পয়জার আলীর ছেলে মানিক মিয়া। কর্মস্থলে যাতায়াতের সুবাদে তাঁদের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে মর্জিনার দাবি।
মর্জিনার অভিযোগ, নিজের ব্যবসা গড়ে তোলার কথা বলে মানিক বিভিন্ন সময় কৌশলে তাঁর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন। তাঁর দাবি, ব্যবসার লাভ বড় ভাইয়েরা নিয়ে নিতেন বলে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি মর্জিনার কাছ থেকে টাকা নেন।
মর্জিনা জানান, কয়েক দিন ধরে মানিকের দেখা না পেয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়ে তিনি মানিকের বাড়ি কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের বকশিপাড়ায় চলে আসেন। সেখানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হলে মর্জিনা মানিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। তবে অভিযোগগুলোর পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারায় তাঁকে ফিরে যেতে হয় বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে মর্জিনা অভিযোগ করেন, মানিকের এলাকার লোকজন ভালো নয়। তাঁর ভাষ্য, মানিকের পরিবারের কাছ থেকে টাকা-পয়সা নিয়ে তাঁকে সুবিচার না করে কৌশলে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় মানিক মিয়া ও তাঁর পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।