মোঃ মিজানুর রহমান, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের সিংগীজানী ও ভোরের পাখি এলাকায় তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে প্রায় শতাধিক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বুধবার রাত থেকে শুরু হওয়া ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বহু পরিবার। আতঙ্কে অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন।
ভাঙন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। নদীর তীর রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভাঙনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
এদিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুল ইসলাম প্রামাণিকও ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় তিনি জরুরি ভিত্তিতে শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ান।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তিস্তার ভাঙন অব্যাহত থাকলে নতুন করে আরও বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাদের দাবি, সাময়িকভাবে জিও ব্যাগ ফেলার পাশাপাশি ভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি নদীশাসন ও স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।