কাপাসিয়ায় তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে এমপির নির্দেশে জিও ব্যাগ স্থাপন, ক্ষতিগ্রস্তদের খাবারের ব্যবস্থা

Spread the love

মোঃ মিজানুর রহমান, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫ নম্বর কাপাসিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে শুরু হওয়া ভাঙনে ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকায় প্রায় ৯০ থেকে ১০০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

ভাঙন রোধে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশনায় তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় ২ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা প্রায় ১০০ পরিবারের মাঝে জরুরি খাবার হিসেবে খিচুড়ি বিতরণ করা হয়।

এমপি মহোদয়ের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ সামিউল ইসলাম, যুব বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সাঈদ মুজাহিদ এবং কাপাসিয়া ইউনিয়ন শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন।

এ সময় তারা ভাঙন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে জরুরি খাবার ও সহায়তার ব্যবস্থা করেন।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা অব্যাহত রাখারও আশ্বাস দেন।

স্থানীয়দের দাবি, তিস্তা নদীর ভাঙন অব্যাহত থাকায় দ্রুত ও স্থায়ীভাবে ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

কাপাসিয়ায় তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে এমপির নির্দেশে জিও ব্যাগ স্থাপন, ক্ষতিগ্রস্তদের খাবারের ব্যবস্থা

মোঃ মিজানুর রহমান, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫ নম্বর কাপাসিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে শুরু হওয়া ভাঙনে ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকায় প্রায় ৯০ থেকে ১০০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

ভাঙন রোধে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশনায় তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় ২ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা প্রায় ১০০ পরিবারের মাঝে জরুরি খাবার হিসেবে খিচুড়ি বিতরণ করা হয়।

এমপি মহোদয়ের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ সামিউল ইসলাম, যুব বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সাঈদ মুজাহিদ এবং কাপাসিয়া ইউনিয়ন শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন।

এ সময় তারা ভাঙন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে জরুরি খাবার ও সহায়তার ব্যবস্থা করেন।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা অব্যাহত রাখারও আশ্বাস দেন।

স্থানীয়দের দাবি, তিস্তা নদীর ভাঙন অব্যাহত থাকায় দ্রুত ও স্থায়ীভাবে ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *