উসমান ফারুক-স্টাফ রিপোর্টারঃ
জামায়াতে ইসলামী দলের আমির শফিকুর রহমান শেরপুর দারোগালি মাঠে তিনি বলেন, আমি আমার মায়েদের কীভাবে সম্মান করি, বাংলাদেশের ৯ কোটি মা তার সাক্ষী। গতকাল রোববার বেলা পৌনে একটার দিকে শেরপুর শহরের দারোগালি মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এ কথা বলেন। তিনি শেরপুরের তিনটি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমার টুইটার যেটাকে এখন এক্স বলা হয়, এই অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ১৫ ঘণ্টা আগে মায়েদের নিয়ে অত্যন্ত বাজে, অরুচিকর, কুরুচিপূর্ণ একটা বক্তব্য দিয়ে দিছে। একটা দল দেখলাম যে হইহই রইরই করে মিছিল শুরু করে দিছে। যারা মায়েদের সম্মান করতে জানে না, তারা এখন মিছিল শুরু করে দিল। মানে এই কাজ কেন করেছে, ঠাকুরঘরে কে, আমি কলা খাই না।’ ‘একেবারেই ইতরশ্রেণি’ না হলে এই কাজ কেউ করতে পারে না মন্তব্য করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আরে ভাই, আমার বক্তব্য, আমার কর্মসূচি, আমার পরিকল্পনাকে তুমি তোমার বক্তব্য, আদর্শ, কর্মসূচি, পরিকল্পনা দিয়ে মোকাবিলা করো। এই চোরাই পথে, নোংরা পথে কেন?’ তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, সাত ঘণ্টা পরে এখন আমার অ্যাডমিনের কন্ট্রোলো আবার এটা ফিরে এসেছে। ওই ঘটনার পর এতে সাময়িক যদি কোনো মা, ওদের অপতথ্যের কারণে কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমি তাঁদের কাছে ক্ষমা চাই।’
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীবরদীর গোপালখিলায় নিহত রেজাউল করিমের বাড়িতে যান জামায়াত আমির। কবর জিয়ারতের পাশাপাশি তিনি রেজাউলের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। কবর জিয়ারত শেষে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন শফিকুর রহমান। জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ছামিউল হক ফারুকী, শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলসহ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। বেলা ১১টার দিকে হেলিকপ্টারে করে শ্রীবরদীর গোপালখিলা খেলার মাঠে অবতরণ করেন শফিকুর রহমান। দুপুর সাড়ে ১২টায় শেরপুরে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন তিনি। পরে যান জামালপুরে। জামালপুর শহরের সিংহজানী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, এই নির্বাচন অতীতের ৫৪ বছরের যে রাজনৈতিক ফ্যাসিবাদ তৈরি করেছে, সেই বস্তাপচা রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন।
শফিকুর রহমান বলেন, আমরা সব জায়গায় “হ্যাঁ” ভোটের কথা বলতেছি। কিন্তু কিছু দল তারা “হ্যাঁ” ভোটের ব্যাপারে পরিষ্কার করে কিছু বলতে চান না। আমরা তাদের কাছে বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, আমরা যেভাবে ১৮ কোটি মানুষের সামনে সংস্কারে “হ্যাঁ” ভোট এবং গণভোটে “হ্যাঁ” বলছি, আপনারা ‘হ্যাঁ’ ও “না” ভালো করে বলেন। আস্তে আস্তে লুকিয়ে লুকিয়ে বলেন কেন?